ধনী রাষ্ট্রের শোষণ মূলক আচরণে চ্যালেঞ্জে দেশের তৈরি পোশাক খাত
মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আর্মি গলফ ক্লাব সংলগ্ন পাম ভিউ রেস্টুরেন্টে বস্ত্র দিবসের এক আলোচনা অনুষ্ঠানে এসব কথা জানানো হয়।

প্রথম নিউজ, ঢাকা : বিদেশি ক্রেতাদের অযাচিত শর্ত আর ধনী রাষ্ট্রগুলোর শোষণ মূলক আচরণের ফলে দেশের তৈরি পোশাক খাত দিন দিন অনেক বেশি চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়ছে। যার ফলে বর্তমানে তৈরি পোশাক খাত কঠিন সময় পার করছে। এ থেকে উত্তরণের পথ বের করতে হবে। মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আর্মি গলফ ক্লাব সংলগ্ন পাম ভিউ রেস্টুরেন্টে বস্ত্র দিবসের এক আলোচনা অনুষ্ঠানে এসব কথা জানানো হয়।
বাংলাদেশ গার্মেন্ট বায়িং হাউস এ্যাসোসিয়েশন (বিজিবিএ) এর আসন্ন ২০২৪-২৬ মেয়াদের নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী ইউনাটেড ফোরামের পক্ষ থেকে এ সভার আয়োজন করা হয়। বিজিবিএ- এর প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী মোহাম্মদ মফিজ উল্লাহ্ বাবলু ইউনাইটেড ফোরামের প্যানেল লিডার হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ইউনাইটেড ফোরামের আহ্বায়ক মো. আনিসুর রহমান।
অনুষ্ঠানে গবেষণামূলক বক্তব্যে সাদিয়া রহমান মুনা জাতীয় অর্থনীতিতে ও তৈরি পোশাক শিল্পে বায়িং হাউসগুলোর ভূমিকা তথ্য উপাত্তসহ তুলে ধরেন।
ইউনাইটেড ফোরামের লিডার মোহাম্মদ মফিজ উল্লাহ্ বাবলু বলেন, বর্তমানে তৈরি পোশাক এক কঠিন সময় পার করছে যা থেকে উত্তরণের পথ বের করতে হবে। বিদেশি ক্রেতারা অযাচিত শর্ত আর ধনী রাষ্ট্রগুলোর শোষণ মূলক আচরণের ফলে এই সেক্টরকে দিন দিন অনেক বেশি চ্যালেঞ্জের মধ্যে ফেলে দিচ্ছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
এসময় প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী মফিজ উল্লাহ্ বাবলু তার ১৬ দফার নির্বাচনি ইস্তেহারের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াও ব্যাখ্যা করেন। তিনি জানান, নির্বাচিত হলে বিজিবিএকে দেশের অন্যতম স্টেকহোল্ডারে পরিণত করার সর্বোচ্চ প্রয়াস চালাবেন। এর আগে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের ১৬ দফা ইশতেহার ঘোষণা করেন ইউনাইটেড ফোরামের প্যানেল লিডার।
ইশতেহার ঘোষণাকালে তিনি জানান, বিজিবিএকে দেশের ১ নম্বর স্টেকহোল্ডারের মর্যাদায় নেওয়ার জন্য ওয়েবসাইট আধুনিকায়ন, শক্ত ও পেশাদার পরিচালনা পর্ষদ, নিয়মিত এজিএম ও দেশের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি শহরে বিজিবিএর কার্যক্রম চালু করার উদ্যোগ নেবেন।
এছাড়াও তিনি ভ্যাট, ট্যাক্স ও পারসেল বহন সুবিধাকে আরও ব্যবসা বান্ধব করতে চান। তিনি নির্বাচিত হলে বিজিবিএর নিজস্ব ভবন, গবেষণা কেন্দ্র, ডিপ্লোমা ইন্সটিটিউট, কেন্দ্রীয় স্যাম্পল ইউনিট গড়ে তোলাসহ পাঠ্যপুস্তকে তৈরি পোশাক শিল্পের বিষয় অন্তর্ভুক্তকরণ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পোশাক শিল্পের বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি চালুর জন্য সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলে আলোচনা করবেন বলেও উল্লেখ করেন।