‘আমরা যেকোনো মূল্যে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষিত রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করবো’
দ্য ওয়্যারের বর্ষীয়ান সাংবাদিক করণ থাপারকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান বাংলাদেশের বিশিষ্ট বৈদেশিক নীতি বিশেষজ্ঞ তথা বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের সিনিয়র ফেলো শাফকাত মুনীর।

প্রথম নিউজ, অনলাইন ডেস্ক: আমরা যেকোনো মূল্যে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষিত রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করবো। দ্য ওয়্যারের বর্ষীয়ান সাংবাদিক করণ থাপারকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান বাংলাদেশের বিশিষ্ট বৈদেশিক নীতি বিশেষজ্ঞ তথা বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের সিনিয়র ফেলো শাফকাত মুনীর। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে ঘনিষ্ঠভাবে অনুসরণকারী মুনীর যোগ করেছেন যে, এটি এমন একটি বিষয় যা বাংলাদেশ সর্বদা গুরুত্ব দিয়ে এসেছে। একইসঙ্গে তিনি জানান, “বাংলাদেশের জনগণের পাশে আছি এমন জরুরি বার্তা দেয়ার সঙ্গে নয়াদিল্লির নিজের স্বার্থ জড়িয়ে আছে। নয়াদিল্লিকে অবশ্যই উপলব্ধি করতে হবে যে ঢাকায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে এবং অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নতুন সরকারের কাছে পৌঁছাতে গেলে বাস্তবকে ভুলে গেলে চলবে না।”
করণ থাপারকে দেয়া ৩০ মিনিটের সাক্ষাৎকারে, শাফকাত মুনীর শেখ হাসিনা সরকারের পতন থেকে নতুন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রকৃতি ও চরিত্র সম্পর্কে নানা বিষয় তুলে ধরেছেন। তিনি মনে করেন, ভারত এবং শেখ হাসিনার ভবিষ্যত সম্পর্কে অধ্যাপক ইউনূসের কী মনোভাব পোষণ করেন তা গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের ভবিষ্যত সরকার বা বাংলাদেশের জনমত হাসিনাকে প্রত্যর্পণের সুযোগ দেবে কিনা তাও মাথায় রাখতে হবে। মুনীর এই বিদ্রোহকে “গড়হংড়ড়হ জবাড়ষঁঃরড়হ” বা ‘বর্ষা বিপ্লব’ বলে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, শেখ হাসিনার পতনের জন্য এই বিদ্রোহের ভূমিকা থাকলেও এটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এবং জামায়াত দ্বারা প্রতিনিধিত্বকারী ইসলামী মৌলবাদী শক্তির দ্বারা চালিত কোনো ফ্রন্ট নয়। তিনি আরও বলেন, যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেছে, তাতে বিএনপি বা জামায়াতের কোনো সদস্য নেই।
একইভাবে, মুনীর স্পষ্টভাবে বলেছেন যে, শেখ হাসিনার পতনে পাকিস্তানের আইএসআই বা চীন বা অন্য কোনো বিদেশি শক্তির ভূমিকা ছিল এমন দাবি করা ভুল। বিশিষ্ট বৈদেশিক নীতি বিশেষজ্ঞ মুনীর বলেন, নতুন অন্তর্বর্তী সরকার স্বাধীন, এমনকি এটি সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানেও পরিচালিত নয়। তিনি বিশেষভাবে মনে করিয়ে দেন, সেনাপ্রধান নিজেই ড. ইউনূসের অধীন।